হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাইয়্যেদুশ শুহাদা হযরত আবা আবদিল্লাহিল হুসাইন (আ.)-এর আরবাঈন পদযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ ধারাবাহিক ‘আরবাঈনের বিধান’-এ তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছেন।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন।
আহলে বাইত (আ.)-এর শোকাবহ দিনগুলো উপলক্ষে সবাইকে সমবেদনা জানাচ্ছি।
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ইমাম হুসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাযার জিয়ারতের অন্যতম বরকত হলো, আল্লাহ তাআলা এর মাধ্যমে মানুষের জীবন থেকে বিভিন্ন বিপদ-আপদ ও অনিষ্ট দূর করে দেন।
প্রশ্ন: আরবাঈনের জিয়ারতের উদ্দেশ্যে নিজ শহর থেকে বের হওয়ার পর দেশে ফিরে আসা পর্যন্ত যদি পুরো সফরের সময় দশ দিনের বেশি হয়, তাহলে এ সফরে নামাজের বিধান কী? নামাজ কি পূর্ণ আদায় করতে হবে, নাকি কসর?
উত্তর: যদি আপনি কোনো একটি নির্দিষ্ট শহরে—যেমন কারবালা বা নাজাফে—শুরু থেকেই টানা দশ দিন অবস্থানের নিয়ত করেন, তাহলে সেই শহরে আপনার নামাজ পূর্ণ হবে এবং রোজাও সহিহ হবে।
কিন্তু যদি আপনার পুরো সফর—নিজ দেশ থেকে রওনা হওয়া, সীমান্ত অতিক্রম করা, ইমাম মূসা আল-কাযিম (আ.)-এর জিয়ারত, এরপর কারবালা ও নাজাফ সফর এবং শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন—সব মিলিয়ে দশ দিনের বেশি হয়, অথচ এ সময়ে কোনো একটি শহরেও টানা দশ দিন অবস্থানের নিয়ত না থাকে, তাহলে আপনি শরয়ি মুসাফির হিসেবে গণ্য হবেন। সে ক্ষেত্রে আপনার নামাজ কসর হবে।
অতএব, কেবল সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রেই দশ দিনের অবস্থানের নিয়ত কার্যকর হবে, যিনি শুরু থেকেই একটি নির্দিষ্ট শহরে পূর্ণ দশ দিন অবস্থানের দৃঢ় নিয়ত করেন। এমন ব্যক্তির নামাজ পূর্ণ হবে এবং তাঁর রোজাও সহিহ হবে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাফাআত নসিব করুন।
ওয়াসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
আপনার কমেন্ট